fbpx
Ad imageAd image

পাগলা মসজিদের রেকর্ড ২৭ বস্তা টাকায় ৭ কোটি ছাড়ানোর আশা

পাগলা মসজিদ

হাসান লিংকন
হাসান লিংকন
চলছে টাকা গণনার কাজ

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে রেকর্ড ২৭ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছে। টাকা ছাড়াও বরাবরের মতো এসব দান সিন্ধুকে পাওয়া গেছে স্বর্ণ, রূপা সহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা।

আজ ২০ মার্চ, শনিবার সকাল ৭ ঘটিকায় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ, মসজিদের সিন্দুক খোলা কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মহুয়া মমতাজ সহ প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে মসজিদের ১০ টি দানবাক্স খোলা হয়।

অন্যান্য বছরগুলোতে দানবাক্সের সংখ্যা ৯ টি থাকলেও, ক্রমবর্ধমান দানের কথা বিবেচনা করে এবার ১ টি অস্থায়ী অতিরিক্ত দানবাক্স বসানো হয়।

টাকা গণনার জন্য বস্তা নিয়ে দোতলায় যাওয়া হচ্ছে

দানবাক্স খোলার পর তা থেকে প্রাপ্ত টাকা ২৭ টি বস্তায় ভরে মসজিদের দোতলায় গণনার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। দোতলার মেঝেতে বস্তাগুলো ঢেলে গণণার কাজ শুরু করেন রূপালী ব্যাংকের ৭০ জন কর্মকর্তা, ১৩৪ জন মাদ্রাসার ছাত্র, ১০ জন শিক্ষক ও ১০ জন আনসার সদস্য। সারা দিনভর গণনা শেষে রাতে মোট টাকার পরিমাণ জানা যাবে বলে মসজিদ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন।

- Advertisement -

সাধারণত তিন মাস অন্তর অন্তর পাগলা মসজিদের দানবাক্স গুলো খোলা হয়। কিন্তু এবার রমজানের কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। দানবাক্স খোলা হয়েছে নির্ধারিত সময়ের ১ মাস ১০ দিন পর । যেহেতু দানবাক্স নির্ধারিত সময়ের পরে খোলা হয়েছে, আবার দানবাক্সের সংখ্যাও একটি বৃদ্ধি পেয়েছে সেহেতু আশা করা যাচ্ছে এবার রেকর্ড পরিমাণ টাকা পাওয়া যাবে, যা অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করবে।

জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘২২ হাজার মুসল্লি একত্রে জামাত আদায় করতে পারে, এমন একটি আন্তর্জাতিক মানের মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্স তৈরীর প্রক্রিয়া চলছে। পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্স নামের এই প্রকল্পটির কাজ খুব শীগ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। আর আশা করছি, দান থেকে প্রাপ্ত  টাকার পরিমাণ এবার ৭ কোটিকে ছাড়িয়ে যাবে।

রেকর্ড ২৭ বস্তা টাকার একাংশ

শেষবার ২০২৩ সালের ৯ ডিসেম্বর যখন দানবাক্স খোলা হয়েছিল, তখন ২৩ টি বস্তায় মোট ৬ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ জানান, পাগলা মসজিদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা আছে। টাকা গণনায় বাড়তি পুলিশ সদস্য ও সাদা পোশাকধারী পুলিশ সদস্য কাজ করছে। এছাড়াও দানবাক্স খোলা থেকে গণনা শেষ করে ব্যাংকে পৌঁছানো পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ।

Subscribe

Subscribe to our newsletter to get our newest articles instantly!

ফলো করুন

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় খবর
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *